যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার নেপথ্যে কারা? কেন হামলা হলো তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তদন্ত কমিটি। এই কমিটির প্রথম বৈঠকে বসছে আগামিকাল অর্থাৎ, ২৭ অগস্ট। এই তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়। এর আগে অধ্যাপক শুভশঙ্কর সরকার এই দায়িত্বে থাকলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন (jadavpur university)।
jadavpur university: আহত উপাচার্যকে বিশ্রামের পরামর্শ
অন্যদিকে, সোমবার রাতে বৈঠক থেকে বেরনোর পর উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাঁটুতে আঘাত পান। চিকিৎসকরা তাঁকে ৩ দিন বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছিলেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (জুটা) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তাঁর ক্যাম্পাসে ফিরে আসার কথা রয়েছে।”
উপাচার্য ফেরার পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী সংগঠন এসএফআই (SFI), আরএসএফ (RSF), এআইডিএসও (AIDSO) এবং ফেটসু (FETSU)-র সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান (jadavpur university)।
১৯ অগস্ট সন্ধ্যায় ‘ফ্যাকাল্টি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন’ (FETSU)-এর একটি বৈঠককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে। ২০ অগস্ট ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস চত্বরেই এবিভিপি (ABVP)-এর সঙ্গে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়। এতে দুপক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হন। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের নিয়ে আসার অভিযোগ তোলে (jadavpur university)।
এসএফআই নেতা অঞ্জিল দাস বলেন, “আমরা তদন্ত কমিটির বৈঠকের অপেক্ষায় আছি। সেদিন আমরা কমিটির কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেব। আমাদের একটাই বক্তব্য সিসিটিভি ফুটেজে যাদেরকে দেখা গিয়েছে ৷ তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে ৷”
তিনি আরও বলেন, “তদন্ত চলাকালীন তারা যাতে ক্যাম্পাসে না-আসতে পারে সেই বিষয়েও আমরা জানাব। যাতে কোনওভাবেই তারা তদন্তকে প্রভাবিত করতে না পারে সেই আবেদনও জানাব।”











