প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শিল্পপতি গৌতম আদানির সম্পর্ক নিয়ে তৈরি বিতর্কিত ভিডিয়ো প্রকাশ ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি আর্যক দত্তের নির্দেশ, সংশ্লিষ্ট ভিডিয়ো, তার ক্লিপ, রিল এবং একই ধরনের সংস্করণ কোনওভাবেই প্রকাশ, আপলোড, শেয়ার বা পুনরায় প্রচার করা যাবে না। আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। মামলার সব পক্ষকে হলফনামা দিয়ে নিজেদের বক্তব্য জানানোর নির্দেশও দিয়েছে আদালত। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে ফের এই মামলার শুনানি হবে।(Modi-Adani Video Ban)
কী অভিযোগ আদানি গোষ্ঠীর?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও গৌতম আদানির সম্পর্ক নিয়ে একটি ভিডিয়ো তৈরি করেন এক ইউটিউবার। সেই ভিডিয়োতে তাঁদের সম্পর্ক, বিভিন্ন ব্যবসায়িক চুক্তি এবং সরকারি নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় বলে অভিযোগ। গুজরাতের মুন্দ্রায় জমি বরাদ্দ এবং কয়লা নিলামে আদানি গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও ভিডিয়োতে প্রশ্ন তোলা হয়। অন্যদিকে আদানি গোষ্ঠীর দাবি, এই ভিডিয়োতে এমন বক্তব্য রয়েছে, যা সংস্থার ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ণ করছে। (Modi-Adani Video Ban) এই অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় শিল্পগোষ্ঠীটি। ভিডিয়ো প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে তারা। মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সমাজমাধ্যম থেকেও সরাতে হবে ভিডিয়ো
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ইউটিউব, গুগল সহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে নির্দিষ্ট url থেকে সংশ্লিষ্ট ভিডিয়ো সরাতে হবে অথবা তার অ্যাক্সেস বন্ধ করতে হবে। ভিডিয়োটির বিজ্ঞাপন এবং তা থেকে আয়ও বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভিডিয়োটি যাতে নতুন করে শেয়ার বা পুনঃপ্রচার করা না যায়, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। (Modi-Adani Video Ban)
হলফনামা জমার নির্দেশ
মামলায় অভিযুক্ত ইউটিউবারকে হলফনামা দিয়ে নিজের বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাঁর বক্তব্যের জবাবে আদানি গোষ্ঠীও পাল্টা হলফনামা জমা দিতে পারবে। অন্যদিকে, রাজ ঠাকরে রবিবার তাঁর সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও আদানিকে নিয়ে তৈরি একটি তথ্যচিত্র সরিয়ে দিয়েছেন। আগে তিনি ওই তথ্যচিত্রটি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছিলেন। (Modi-Adani Video Ban)












