লাগাতার বৃষ্টির মধ্যেই ভোরে কলকাতার জোড়াবাগানে ভেঙে পড়ল প্রায় ২০০ বছরের পুরনো একটি বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ। (Building Collapsed) মঙ্গলবার ভোর ৫টা নাগাদ ব্রজদুলাল স্ট্রিটের মালাপাড়া এলাকায় তিনতলা বাড়িটির পিছনের অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ষাটোর্ধ্ব ঊর্মিলা সাহুর। ঘটনায় আহত ১৯ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
Building Collapsed: ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে বিপত্তি
স্থানীয়দের দাবি, রাত থেকেই বাড়িটির কিছু অংশ ভাঙছিল। দুর্ঘটনার সময় ঊর্মিলা ও তাঁর ছোট ছেলে কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে এলেও বড় ছেলেকে বাঁচাতে ফের ঘরে ঢোকেন তিনি। সেই সময় ফের চাঙড় ভেঙে পড়ে চাপা পড়েন বৃদ্ধা। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বাড়িটির একাংশে বেশ কিছু কমার্শিয়াল জোনও ছিল।
Building Collapsed: উদ্ধারে পুলিশ, দমকল, NDRF

ধ্বংসস্তূপে প্রায় ২০ জন আটকে পড়েছিলেন বলে জানা যায়। কলকাতা পুলিশের DMG, কুইক রেসপন্স টিম, দমকল এবং পরে NDRF উদ্ধারকাজে নামে। প্রশিক্ষিত কুকুরও আনা হয়। ১৯ জন আহতকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
আগেই বিপজ্জনক ঘোষণা
পুরসভার তরফে বাড়িটিকে আগেই বিপজ্জনক ঘোষণা করা হয়েছিল এবং একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। (Building Collapsed) বাকি বিপজ্জনক অংশ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ হলে ধ্বংসস্তূপ সরাবে পুরসভা।
কী বললেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক?

কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে জানান, ‘শহরের বিপদজনক বাড়িগুলিতে নোটিশ দেওয়া আছে। আবারও নোটিশ পাঠাতে বলা হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে। কিন্তু তারপরেও কেউ বাড়ি ছাড়তে রাজি হন না। বিপজ্জনক বাড়িতে বাস না করার পরামর্শ দিয়েছে পুরনিগম।’ তাঁর আবেদন, বৃষ্টির সময়ে বাসিন্দারা অন্তত কোনও নিরাপদ জায়গায় যেন চলে যান। শুধু নোটিশ দিয়ে দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘আপনি চাইলে কাউকে জোর করে কারোর বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারেন না। তাদেরকেও বুঝতে হবে, যে বিপদজনক যখন বলা হয়েছে তখন বের হতে হবে।’ (Building Collapsed)
বাবার মৃত্যুর পরও অনড় হাফিজ, ক্ষতিপূরণ নয়, দাবি ‘বিশ্বমানের স্কুল’









1 thought on “বৃষ্টির দাপটে জোড়াবাগানে বিপর্যয়, ২০০ বছরের বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত বৃদ্ধা”