রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

নেতাজির আদর্শে সঙ্গী Gen Z? ‘আজাদ হিন্দ পার্টি’ গড়ার সিদ্ধান্ত চন্দ্র বসুর

azad hind party
---Advertisement---

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের দিকে ভিড়েছিলেন। তারপর তৃণমূল থেকেও ইস্তফা দিয়েছিলেন। এখন নিজেই দল গড়ার ঘোষণা করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র কুমার বসু। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত কেন নিলেন? সম্প্রতি দিল্লির যন্তর-মন্তরে Gen Z আন্দোলন থেকেই উদ্বুদ্ধ হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিলেন (azad hind party)।

azad hind party: নতুন দল গড়ার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন?

তাঁর এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কেরিয়ারে নতুন মাইল ফলক (azad hind party)। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে চন্দ্র কুমার বসু বলেন, ‘আজাদ হিন্দ পার্টি’ তরুণদের কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হবে এবং এটি নেতাজির সর্বজনীন ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শকে অনুসরণ করে চলবে। তিনি বলেন, “স্বাধীনতার প্রায় ৮০ বছর পর তরুণরা আবারও এগিয়ে আসছে। যন্তর-মন্তরের বিক্ষোভে আমরা সেই উদ্দীপনা দেখেছি।”

তরুণরাই হবেন এই দলের মাথা?

তাঁর অভিযোগ, রাজনীতি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক দুর্নীতির কারণে দেশের তরুণরা এই সিস্টেমের প্রতি হতাশ হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, “সারা দেশে ব্যাপক দুর্নীতি চলছে। সব রাজনৈতিক দলই এর সঙ্গে জড়িত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ও শিল্পখাতে দুর্নীতি এখন জীবনযাত্রার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

চন্দ্র কুমার বসু কেন্দ্রের সরকারের দিতে আঙুল তুলে বলেন, “সরকার, প্রশাসন ও অন্য প্রতিষ্ঠানের ওপর তরুণরা ‘বীতশ্রদ্ধ’ হয়ে পড়েছে এবং নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের জন্য তাদের রাজনৈতিক পরিসর প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজ—অর্থাৎ আজাদ হিন্দ পার্টির পতাকার তলায় লড়াই করা, এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে?”

BJP ছেড়ে TMC-তে কেন এলেন?

২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেন চন্দ্র কুমার বসু। প্রায় ৭ বছর দলটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি দাবি করেন, তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে নেতাজির আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে বিজেপির ভেতরেই একটি ‘আজাদ হিন্দ মোর্চা’ গঠন করা হবে। তাঁর মতে, প্রস্তাবিত দলটির নেতৃত্ব দেওয়া এবং এর বার্তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব তাঁর ওপরই থাকার কথা ছিল।

তিনি বলেন, “আমি সাত বছর অপেক্ষা করেছি, ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছি। কিন্তু ‘আজাদ হিন্দ মোর্চা’ গঠিত হয়নি। কেন এটি গঠিত হলো না? একমাত্র বিজেপি নেতৃত্বই সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তা না হলে আমি কখনোই বিজেপিতে যোগ দিতাম না।”

বিজেপি ছাড়ার পর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ কলকাতা আসনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন চন্দ্র কুমার বসু। তিনি জানান, নেতাজির রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে কাজ করার সুযোগ দিয়েছিল এই দল। পরবর্তীতে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) থেকে পদত্যাগ করেন। তাঁর অভিযোগ, এই দলগুলিতে নিম্নমানের রাজনীতি চলে।

বোস বলেছেন, আজাদ হিন্দ পার্টি প্রগতিশীল, সর্বজনীন ও ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির আদর্শে বিশ্বাসী তরুণদের একত্রিত করার উদ্যোগ নেবে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

1 thought on “নেতাজির আদর্শে সঙ্গী Gen Z? ‘আজাদ হিন্দ পার্টি’ গড়ার সিদ্ধান্ত চন্দ্র বসুর”

Leave a Comment