এলাকায় ঢুকতেই বিক্ষোভের মুখে কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বাসুনিয়া ও সিতায়ের বিধায়ক সংঙ্গীতা রায়। রাতেই ফিরে যেতে হলো ওই দম্পতিকে। তৃণমূলের টিকিটেই দুজন জয়ী হয়েছিলেন। রাজ্যে পালাবদলের পর NCPI-এ যোগ দেন সাংসদ অন্যজন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। অভিযোগ, এলাকায় ঢুকতেই জনরোষের মুখে পড়তে হয় সাংসদ ও বিধায়ককে। ফলে বিক্ষোভের মুখে গভীর রাতে সিতাই ছাড়তে হল কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়া ও সিতায়ের বিধায়ক তথা স্ত্রী সংঙ্গীতা রায়কে (jagadish chandra barma basunia)।
jagadish chandra barma basunia: কেন এলাকা ছাড়লেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়া?
সূত্রের খবর, ভোটের ফল ঘোষণার পর দীর্ঘ কয়েক মাস সিতাইয়ের বাড়িতে দেখা যায়নি তাঁদের। সোমবার রাতে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁদের বাড়ি ফেরার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই সিতাই বাজার ও বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। চলে শ্লোগানও। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন হয় পুলিশ। কিছুটা স্বাভাবিক হলে রাত প্রায় ২টা নাগাদ কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় সিতাই ছাড়েন সাংসদ ও বিধায়ক।
বিজেপির বক্তব্য, কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা রায় তাঁরা সিতাই এলাকায় এসে সাধারণ মানুষের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করছেন। তাই অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে সিতাইয়ের মানুষ। জনগণ প্রতিটা হিসেব তাঁদের কাছ থেকে নেবে। তাই সেই আশঙ্কায় তাঁরা সেখান থেকে পালিয়ে গেছেন।
NCPI কি মিশে যাবে NDA-তে, এই নিয়ে জল্পনা চলছে। দফায়-দফায় হয়েছে বৈঠক। কখনও অমিত শাহের সঙ্গে কখনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে। অন্যদিকে, বিধানসভার বিধায়ক সঙ্গীতা রায়রা আবার বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। এমতাবস্থায়, নিজের নির্বাচনী এলাকার বাড়িতে ফিরে এক রাতও থাকা হল না কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা রায় বাসুনিয়া।নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দীর্ঘ কয়েক মাস সিতাইয়ের বাড়িতে দেখা যায়নি তাঁদের। সোমবার রাতে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁরা বাড়ি ফিরতেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই নিক্শোভের মুখে পড়েন তাঁরা।












