---Advertisement---
lifezone nursing home

গ্রেফতার জয়প্রকাশ মজুমদার! শ্লীলতাহানির অভিযোগে শ্রীঘরে তৃণমূল নেতা

June 3, 2026 4:18 PM
---Advertisement---

গ্রেফতার তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার (jay prakash majumdar)। শ্লীলতাহানির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিধাননগর উত্তর থানা তাঁকে গ্রেফতার করছে। ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগ ঘিরে জয়প্রকাশের সঙ্গে বাড়িওয়ালার বিবাদ চলছিল। ১৪ বছর ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক ফ্ল্যাট দখল করে রাখার অভিযোগ জয়প্রকাশের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে বাড়ির মালিক আরতি রায়চৌধুরীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আজ ফ্ল্যাটে তালা লাগানো নিয়ে দু-পক্ষের বিবাদ চরমে ওঠে।

জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে সল্টলেকের এই ব্লকের ৩৩৭ নম্বর ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন জয়প্রকাশ মজুমদার। নামমাত্র ভাড়াতে সেখানেই সপরিবারের থাকতেন তিনি। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে হুমকি দিতেন জয়প্রকাশ। বাড়ির মালিকের স্বামী মারা গিয়েছেন। তারপরেও তাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বারবার জয়প্রকাশ মজুমদারকে নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি বাড়ি খালি করেননি। ভাড়া চাইতে গেলেও তৃণমূল নেতা হুমকি দিতেন।

কয়েকদিন আগে স্থানীয়দের নিয়ে নিজের বাড়ি পুনরুদ্ধার করতে গিয়েছিলেন ওই মহিলা। বচসা চলাকালীন জয়প্রকাশ মজুমদারের স্ত্রীকে চড় মারেন তিনি। সেই চড়ের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

আজ বুধবার ফ্ল্যাটে তালা লাগানো নিয়ে দুইপক্ষের বিবাদ হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জয়প্রকাশ মজুমদারকে দেখে তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ওঠে ‘চোর চোর’ স্লোগান। গাড়ির ভিতরে নিরুপায় হয়ে বসে থাকতে দেখা যায় জয়প্রকাশ মজুমদারকে। জয়প্রকাশ মৌখিকভাবে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও স্থানীয় লোকজন তা মানতে চাননি। এই নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে উত্তর বিধাননগর থানার পুলিশ। পুলিশের সঙ্গেই থানায় যান বাড়ির মালিক আরতি দেবী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই শেষে আটক করা হয় তৃণমূল মুখপাত্রকে। তারপর তাঁকে গ্রেফতার করাও হয়। তাঁর বিরুদ্ধে বাড়ির মালিক আরতী রায়চৌধুরীকে হুমকি, শ্লীলতাহানি-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতকে আগামীকাল বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

1 thought on “গ্রেফতার জয়প্রকাশ মজুমদার! শ্লীলতাহানির অভিযোগে শ্রীঘরে তৃণমূল নেতা”

Leave a Comment