ওজন কমাতে গেলে পাতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখতেই হবে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার কাজ করার এনার্জি জোগায়। পাশাপাশি পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভর্তি রাখে এতে বাড়তি খাবার খেতে ইচ্ছে করে না। অনেকেই এই প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করার জন্য সাপ্লিমেন্ট হিসেবে প্রোটিন পাউডার খান। মেদ কমানো বা সুস্থ ওজন বজায় রাখতে এটি জনপ্রিয় সাপ্লিমেন্ট হয়ে উঠেছে। কিন্তু বিপুল টাকা খরচ করে নিয়মিত এই প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট (protein powder) খাওয়া কী নিরাপদ? এর বদলে কী খাবেন?
৩০ গ্রামের বেশি প্রোটিনযুক্ত এই ৫টি খাবার আপনার শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাবে।
protein powder: এই ৫টি খাবার কী কী?
১. ডিম হচ্ছে পুষ্টির ভাণ্ডার। প্রোটিন থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে ডিমের মধ্যে। ব্রেকফাস্টে ডিম রাখলে এটি পেট ভরায় এবং দেহে পুষ্টির সঞ্চার করতে সাহায্য করে।
২. পেটের চর্বি গলানোর জন্য বাজার থেকে কিনে কিনোয়া খেতে পারেন। আপনার ডায়েটে এইটি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। এতে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে, যা দেহে পুষ্টি প্রদান করে। কিনোয়া খেলে ওজন কমবে এবং শরীর সতেজ থাকবে।
৩. অনেকেই ওজন কমানোর জন্য ভাত ও ডাল বেছে নেন না। তবে এইগুলো খেয়েও ওজন কমানো যায়। ডালের মধ্যে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন পাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পাশাপাশি ডালের মধ্যে ফ্যাট নেই বললেই চলে। তাই এই খাবার ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৪. ওজন কমানোর মোক্ষম ওষুধ টক দই। প্রোটিন ও প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ টক দই। ওজন কমানোর জন্য চিনি ছাড়া টক দই খান। এতে পেটের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং হজম ক্ষমতা বাড়বে। খিদেও নিয়ন্ত্রণ করবে। জলখাবারে খেতে পারেন টক দই।
৫. দুধ দেখলে অনেকেই নাক সিঁটকান। দুধ না খেলেও ছানা খান। ফ্যাটের পরিমাণ কম এবং প্রোটিনের পরিমাণ বেশি। এই খাবার রোজের ডায়েটে রাখলে সহজেই ওজন কমাতে পারবেন।
আমাদের শরীরে কতটা প্রোটিন প্রয়োজন?
প্রোটিনের চাহিদা নির্ভর করে শরীরের ওজন, গঠন এবং পেশির পরিমাণ ও শারীরিক অবস্থার উপর। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দৈনিক প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রায় ১ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। বেশি বিপাকীয় চাপের পরিস্থিতিতে তা ১.৫ গ্রাম প্রতি কেজি পর্যন্ত হতে পারে। ডায়ালিসিসে থাকা কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রায় ১.২ গ্রাম প্রতি কেজি প্রোটিন প্রয়োজন।













1 thought on “লাগবে না প্রোটিন পাউডার, দৈনিক প্রোটিন পূরণের জন্য বেছে নিন এই ৫ খাবার”