স্বাধীনতার ঠিক পরে দেশবাসীর সামনে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু (Jawaharlal Nehru)। ভারত কোনও একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা ধর্মের দেশ নয়। বহু ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষের দেশ ভারত। স্বাধীনতা দেশের প্রতিটি নাগরিকের। সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই হবে স্বাধীন ভারতের লক্ষ্য—১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার শুরুতে সংবিধান সভায় বার্তা দিয়েছিলেন নেহরু।
Table of Contents
Jawaharlal Nehru: স্বাধীনতার সূচনালগ্নে বার্তা
১৯৪৭ সালের ১৪ অগস্ট মধ্যরাতে, অর্থাৎ ১৫ অগস্টের প্রথম প্রহরে, নতুন দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে বক্তব্য রাখেন নেহরু। বর্তমানে সেই হল সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হল নামে পরিচিত। দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং অনিশ্চয়তার আবহেই তখন স্বাধীনতার পথে এগোচ্ছিল ভারত। (Jawaharlal Nehru)
অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান
সেই কঠিন সময়ে দেশের প্রতিটি নাগরিকের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সমান অধিকারের আশ্বাস দেন নেহরু। তিনি জানান, কোথাও অন্যায় বা অবিচার হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার আগে থেকে জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ, কীভাবে তৈরি হলো আজকের তিরঙ্গা?
‘অবজেক্টিভস রেজোলিউশন’-এর কথা
বক্তব্যে নেহরু তাঁর পেশ করা ‘অবজেক্টিভস রেজোলিউশন’-এর কথাও তুলে ধরেন। সেখানে স্বাধীন ভারতের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছিল। জাতি, ধর্ম বা বর্ণের ভিত্তিতে বৈষম্যের বদলে সকলের সমান মর্যাদার কথাই ছিল সেই ভাবনার কেন্দ্রে। (Jawaharlal Nehru)
সংবিধানের ভিত্তি
নেহরুর সেই ভাবনা পরবর্তীকালে ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনার ভিত্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। স্বাধীন ভারতের গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুত্ববাদী কাঠামোর মূল ভাবনাতেও সেই আদর্শের প্রতিফলন দেখা যায়।(Jawaharlal Nehru)
আরও পড়ুন :- লালকেল্লায় বদল স্বাধীনতা দিবসের রীতি, এ বার থাকছে বিশেষ আয়োজন













[557934]supplies professional anti-violence equipments and solutions for the whole world with strong and perfect production capacity. anti-violence.org