কোষ্ঠকাঠিন্যে অস্বস্তি, পেট ফাঁপা কিংবা মলত্যাগে কষ্ট—দৈনন্দিন জীবনে এই সমস্যা বেশ পরিচিত। (Constipation Relief Drinks) পর্যাপ্ত জল, খাবারে ফাইবার এবং নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা অনেক ক্ষেত্রেই মল নরম রাখতে সাহায্য করে। গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি তাঁর একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এমন ১০টি পানীয়ের কথা জানিয়েছেন, যেগুলি হজমশক্তি ও নিয়মিত মলত্যাগে সহায়ক হতে পারে।
১. গরম জল
সবথেকে উপযোগী গরম জল। শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকলে মল নরম থাকে। বিশেষ করে সকালে এক গ্লাস সাধারণ গরম জল হাইড্রেশন ও হজমে সহায়ক হতে পারে।
২. কফি
হ্যাঁ, ঠিক। আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী কফি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ক্যাফেইনযুক্ত বা ডিক্যাফ কফি ‘গ্যাস্ট্রোকলিক রিফ্লেক্স’ সক্রিয় করে কোলনের সংকোচন বাড়াতে পারে। তাই অনেকের সকালে কফির পর মলত্যাগের তাগিদ আসে।
৩. ইসবগুলের জল
Psyllium husk বা ইসবগুল জল শোষণ করে মলের পরিমাণ বাড়ায় এবং তা নরম করতে সাহায্য করে। তবে পর্যাপ্ত জলের সঙ্গে খাওয়া জরুরি।
৪. আদা চা
বেশিরভাগ মানুষই এলাচ ও আদা দেওয়া চা পান করতে ভালোবাসেন । গরম আদা চা হজমে আরাম দিতে পারে। আদার প্রদাহরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি পাকস্থলীতে গ্যাস কমাতেও সহায়ক। (Constipation Relief Drinks)
৫. ভেজানো চিয়া বীজ
এক টেবিল চামচ চিয়া জলে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে শসা, পুদিনা ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া যায়। চিয়া ফাইবার ও তরল যোগ করে।
অলরাউন্ডার সবজি, আলুর এই ১০টি ডিশ একবার চেখে দেখতেই পারেন
৬. কিউই স্মুদি
পুরো কিউই দিয়ে তৈরি স্মুদিতে ফাইবার ও অ্যাক্টিনিডিন এনজাইম থাকে, যা হজম ও নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করতে সাহায্য করে।
৭. PHGG
Partially Hydrolyzed Guar Gum বা PHGG একটি দ্রবণীয় প্রিবায়োটিক ফাইবার। যা জলে মিশিয়ে খেলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করতে পারে।
৮. ভেজানো তুলসী বীজ
সাবজা বা তুলসীর বীজ জলে ভিজলে ফুলে জেলির মতো হয়। এতে ফাইবার থাকে, যা মলত্যাগে সাহায্য করে।
৯. কেফির
কেফির একটি ফারমেন্টেড প্রোবায়োটিক ডেয়ারি পানীয়। এর উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করতে পারে। এতে B ও K2 ভিটামিন এবং বিভিন্ন খনিজও রয়েছে।
১০. প্রুন জুস
প্রুন বা শুকনো আলুবোখারার রসে থাকে সরবিটল ও ফাইবার। এগুলি অন্ত্রে জল টেনে এনে মল নরম করতে সাহায্য করতে পারে। প্রুনে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়কও হতে পারে।
তবে (Constipation Relief Drinks) এগুলি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা নয়। কয়েক সপ্তাহ সমস্যা থাকলে, তীব্র পেটব্যথা, রক্তপাত বা অকারণে ওজন কমার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ফাস্ট ফুড মানে ফাস্ট হার্ট অ্যাটাক













WONDERFUL Post.thanks for share..more wait .. …