পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা অসমের চিরাং জেলায়। ধর্ষণে অভিযুক্ত নাসিরুল শেখকে পুলিশের গুলি। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁকে আটকাতে পায়ে গুলি করা হয়। আহত নাসিরুল এখন কাজলগাঁওয়ের জেএসবি সিভিল হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে কড়া পুলিশি পাহারা রয়েছে। (Assam Police)
ধর্ষণের মামলায় মূল অভিযুক্ত
পুলিশের দাবি, নাসিরুল চিরাংয়ের কাজলগাঁও থানার বারতালওয়া গ্রামের বাসিন্দা। একটি আদিবাসী দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় তিনি মূল অভিযুক্ত। (Assam Police)
চিরাংয়ের পুলিশ সুপার ধ্রুব বরা জানিয়েছেন, নাসিরুল-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই নাবালিকাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঘটনার ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
এই ঘটনায় নাসিরুলের সঙ্গে পীর মহম্মদ এবং হারুনুল হাসানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের হওয়ার পরই তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। (Assam Police)
তদন্তের জন্য পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়
রবিবার, ১৬ অগস্ট নাসিরুলকে তিন দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। তদন্তের প্রয়োজনে সোমবার তাঁকে কাজলগাঁও থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে ভুমেশ্বর পাহাড় এলাকায় নিয়ে যায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, সেখানে তদন্ত চলাকালীন আচমকা পুলিশকর্মীদের ধাক্কা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন নাসিরুল। তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। (Assam Police)
পায়ে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি
পুলিশ জানিয়েছে, নাসিরুলকে আটকাতে গুলি চালানো হয়। তাঁর পায়ে গুলি লাগে। এরপর তাঁকে দ্রুত কাজলগাঁওয়ের জেএসবি সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল চত্বরে পুলিশি নিরাপত্তা রয়েছে। ঘটনার পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তও চলছে বলে জানিয়েছে চিরাং পুলিশ। (Assam Police)
আরও পড়ুন :-NEET থেকে UGC-NET, একের পর এক বিতর্কের পর NTA-তে বড় সিদ্ধান্ত













2 thoughts on “তদন্তের সময় পালানোর চেষ্টা, ধর্ষণে অভিযুক্তকে গুলি”