---Advertisement---
lifezone nursing home

মিলল না প্রবেশের অনুমতি, বিমানবন্দর রেফারিকে ফিরিয়ে দিল আমেরিকা, বিশ্বকাপের আগে ফের বিতর্ক

June 9, 2026 2:46 PM
World Cup 2026
---Advertisement---

মাঝে আর দুটো দিন বাকি। তারপরেই শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ। খেলা শুরু হওয়ার আগে থেকেই পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। এবার নয়া বিতর্কে জড়াল FIFA। যা বিশ্ব ফুটবল মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এবার বির্তকের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আয়োজক দেশ আমেরিকার অভিবাসন নীতি। আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলো না আফ্রিকার সেরা রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতানকে। অভিযোগ, মায়ামি বিমানবন্দরে পোঁছনোর পরই তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিমানে করে তুরস্কে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে (World Cup 2026)।

এই ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদেরকে বিস্মিত করে তুলেছে। কারণ, আরতান শুধু ফিফা তালিকাভুক্ত রেফারিই নন, বর্তমানে আফ্রিকার অন্যতম সেরা ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবেও পরিচিত। সূত্রের খবর, আফ্রিকার এই রেফারি কূটনৈতিক ভিসা নিয়ে আমেরিকায় প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। প্রথম দিকে ভিসা পাওয়ায় দেরি হওয়ায় তিনি সোমালি দূতাবাসের সহায়তায় নেন। কিন্তু মায়ামি বিমানবন্দরে প্রবেশের পরই তাঁকে আটকে দেওয়া হয়। যদিও নিয়ে কিছু বলতে চায়নি ফিফা এবং সোমালি ফুটবল ফেডারেশন।

তবে এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও এইরকম বহু ঘটনা ঘটেছে। আমেরিকায় ভিসা সংক্রান্ত ঝামেলা এর আগেও অনেককে পোহাতে হয়েছে। ভিসা সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছে ইরানও। ইরানের সাংবাদিক থেকে শুরু করে, ইরান দলের সরকারি ফোটোগ্রাফারদেরও আমেরিকা প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। যদিও ইরানের অনুমতি না মেলা নিয়ে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আমেরিকা-ইরানের সংঘাতকেই দায়ি করছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যাঁরা ভিসা পেয়েছেন, তাঁদের অনেককেই একবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর ইরানের ফুটবলাররা প্রথম ম্যাচের মাত্র ১০ দিন আগে ভিসা পেয়েছেন। ফলে টুর্নামেন্টের আগে প্রস্তুতি ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় থেকে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এর ফলে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা।

বিশ্বকাপ শুরুর প্রাক্কালে একের পর এক ভিসা ও অভিবাসন-সংক্রান্ত জটিলতা ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। আয়োজক দেশ হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment